ফাযায়েলে আমলের উপরে উত্থাপিত একটি ভিত্তিহীন অভিযোগের জবাবঃ ১
অভিযোগঃ
‘শাইখুল হাদিস’ যাকারিয়া সাহারানপুরির কিতাব ও তাবলিগ জামাতের মুল পাঠ্যসূচি ফাজায়েলে আমলে হাশরের মাঠ সম্পর্কে ভিত্তিহীন বর্ণনাঃ
‘’কিয়ামতের ভয়ঙ্কর দিনে যাহারা আরশের ছায়ার নীচে স্থান পাইবে, তাহাদের তালিকায় ‘শরহে এহয়া’ কিতাবে ঐ সকল লোকদেরকেও উল্লেখ করা হইয়াছে যাহারা মুসলমানদের ছেলেমেয়েদেরকে কুরআন শরীফ শিক্ষা দেয়। এমনিভাবে ঐ সকল লোককেও তালিকাভুক্ত করা হইয়াছে যাহারা বাল্যকালে কুরআন শরীফ শিক্ষা করে এবং বড় হইলে কুরআন তেলাওয়াতের এহতেমাম করে’’ ফাজায়েলে আমল; ফাজায়েলে কুরআন- যাকারিয়া সাহানপুরি; অনুবাদক- মুফতি মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ; নজরে ছানী ও সম্পাদনা- হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ যুবায়ের ছাহেব ও মাওলানা রবিউল হক ছাহেব; কাকরাইল মসজিদ; (প্রকাশনা দারুল কিতাব, ৫০ বাংলাবাজার ঢাকা; প্রথম প্রকাশ- অক্টোবর ২০০১ ই; পৃষ্ঠা নঃ ১৪ )
‘’কিয়ামতের ভয়ঙ্কর দিনে যাহারা আরশের ছায়ার নীচে স্থান পাইবে, তাহাদের তালিকায় ‘শরহে এহয়া’ কিতাবে ঐ সকল লোকদেরকেও উল্লেখ করা হইয়াছে যাহারা মুসলমানদের ছেলেমেয়েদেরকে কুরআন শরীফ শিক্ষা দেয়। এমনিভাবে ঐ সকল লোককেও তালিকাভুক্ত করা হইয়াছে যাহারা বাল্যকালে কুরআন শরীফ শিক্ষা করে এবং বড় হইলে কুরআন তেলাওয়াতের এহতেমাম করে’’ ফাজায়েলে আমল; ফাজায়েলে কুরআন- যাকারিয়া সাহানপুরি; অনুবাদক- মুফতি মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ; নজরে ছানী ও সম্পাদনা- হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ যুবায়ের ছাহেব ও মাওলানা রবিউল হক ছাহেব; কাকরাইল মসজিদ; (প্রকাশনা দারুল কিতাব, ৫০ বাংলাবাজার ঢাকা; প্রথম প্রকাশ- অক্টোবর ২০০১ ই; পৃষ্ঠা নঃ ১৪ )
নিঃসন্দেহে কুরআন মাজিদ শিক্ষা করা, কাউকে শিক্ষা দেয়া এবং নিজে তেলাওয়াত করা ও এহতেমাম করা বিশাল ফজিলত ও পুন্যের কাজ। কিন্তু আমরা কুরআন ও হাদীসের কোথাও তাদের ফজিলত হিসাবে কিয়ামতের কঠিন দিনে তারা ‘আরশের ছায়ার নিচে স্থান পাবেন’ এটা খুজে পাই না।
একনজরে হাশরের মাঠে মানুষদের অবস্থাঃ
কিয়ামতের সেই হবে অতি ভয়ানক। সেদিন সূর্য অতি নিকটে থাকবে, আর তার কারনে মানুষ অত্যন্ত ঘর্মসিক্ত হবে।
মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুল (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ ‘’কিয়ামতের দিন সূর্যকে মানুষের নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। অবশেষে তা মানুষের এক মাইলের দুরত্বের মাঝে চলে আসবে। মানুষ তাদের আমল অনুসারে ঘামের মাঝে ডুবতে থাকবে। তাদের কারো ঘাম পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত হবে, কেউ হাঁটু পর্যন্ত ঘামের মাঝে ডুবে থাকবে, কেউ কোমর পর্যন্ত আর কেউ মুখ পর্যন্ত ঘামে ডুবে থাকবে’’ মুসলিম ৭০৯৮
কিয়ামতের সেই কঠিন দিনে যারা আরশের ছায়ার নিচে স্থান পাবেনঃ
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’আল্লাহ তায়ালা সাত শ্রেণীর ব্যাক্তিকে সেই দিনে তাঁর (আরশের) ছায়ার নীচে স্থান দান করবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতিত আর কোন ছায়া থাকবে না। তারা হলঃ ১- ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ (রাষ্ট্রনেতা)২- সেই যুবক যার যৌবন আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত হয় ৩- সেই ব্যাক্তি যার অন্তর মসজিদসমুহের সাথে লটকে থাকে (অর্থাৎ মসজিদের প্রতি যার মন সদা আকৃষ্ট থাকে ৪- সেই দুই ব্যাক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দ্যেশ্যে বন্ধুত্ব ও ভালবাসা স্থাপন করে; যারা এই ভালবাসার উপর মিলিত হয় এবং এই ভালবাসার উপরেই চিরবিচ্ছিন্ন (অর্থাৎ মৃত্যু) হয় ৫- সেই ব্যাক্তি যাকে কোন সুন্দরী নারী (অবৈধ যৌন-মিলনের উদ্দ্যেশ্যে) আহবান করে, কিন্তু সে বলে ‘আমি আল্লাহকে ভয় করি’ ৬- সেই ব্যাক্তি, যে গোপনে দান করে, এমনকি তাঁর ডান হাত যা প্রদান করে, তা তাঁর বাম হাত পর্যন্ত জানতে পারে না ৭- আর সেই ব্যাক্তি, যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, ফলে তাঁর উভয় চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে যায়/ বুখারী ৬৬০, ১৪২৩, ৬৪৭৯, ৬৮০৬; মুসলিম ১০৩১; তিরমিযি ২৩৯১; নাসাঈ ৫৩৮০; আহমাদ ৯৩৭৩; মুওয়াত্তা মালিক ১৭৭৭ রিয়াদুস স্বালিহীন ৩৮১
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে আরও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন বলবেন, ‘আমার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্বের জন্য যারা পরস্পরকে ভালবেসেছিল তারা কোথায়? আজকের দিনে আমি তাদেরকে আমার ছায়ায় স্থান দেব, যেদিন আমার (আরশের) ছায়া ছাড়া অন্য কোন ছায়া নেই’’ মুসলিম ২৫৬৬; আহমাদ ৭১৯০, ৮২৫০,৮৬১৪,১০৪০১,১০৫২৭; মুওয়াত্তা মালিক ১৭৭৬;দারেমী ২৭৫৭; রিয়াদুস স্বালিহীন ৩৮২
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে আরও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যে লোক অভাবী ঋণগ্রস্তকে সময় ও সুযোগ দিবে অথবা ঋণগ্রহীতাকে ক্ষমা করে দিবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাঁকে আরশের নীচে ছায়া আশ্রয় প্রদান করবেন, যেদিন তাঁর আরশের ছায়া ছাড়া অন্য কোন ছায়া থাকবে না’’ তিরমিযি; সহীহ; হাদীস নঃ ১৩০৬; মুসতাদরাক হাকেম ২২২৪; ত্বাবারানি কাবীর ১৫৫৬৫; সহীহ আত-তারগীব ৮৯৬,৮৯৭,৮৯৯; আহমাদ ৮৭১১
আবু কাতাদাহ ও জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যে ব্যাক্তি এতে আনন্দিত হতে চায় যে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন বিপদাপদ থেকে নাজাত দিবেন এবং তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন, তাহলে সে যেন ঋণ গ্রহীতাকে সময় দেয়’’ মাজমাউয যাওয়ায়িদ; সহীহ; ৬৬৭৩
আবুল ইয়ুসর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যে ব্যাক্তি পছন্দ করে যে, আল্লাহ তাকে তাঁর ছায়ার তলে স্থান করে দিবেন, সে যেন ঋণ গ্রহীতাকে সুযোগ করে দেয় বা ঋণের কিছু অংশ ক্ষমা করে দেয়’’ ইবন মাযাহ; আবওয়াবুল হিবাত ২/১৯৬৩
মহান আল্লাহ আমাদেরকে কিয়ামতের সেই কঠিন দিনে তাঁর আরশের ছায়ার নীচে স্থান লাভ করার মত আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন
collected from- tablig jamat + chormonai er postmortem
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
খন্ডনঃ
সমস্যা ফাজায়েলের কিতাবে নয,সমস্যা আমাদের অন্তরে . . !
# আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’আল্লাহ তায়ালা সাত শ্রেণীর ব্যাক্তিকে সেই দিনে তাঁর (আরশের) ছায়ার নীচে স্থান দান করবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতিত আর কোন ছায়া থাকবে না। তারা হলঃ
১- ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ (রাষ্ট্রনেতা)২- সেই যুবক যার যৌবন আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত হয় ৩- সেই ব্যাক্তি যার অন্তর মসজিদসমুহের সাথে লটকে থাকে (অর্থাৎ মসজিদের প্রতি যার মন সদা আকৃষ্ট থাকে ৪- সেই দুই ব্যাক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দ্যেশ্যে বন্ধুত্ব ও ভালবাসা স্থাপন করে; যারা এই ভালবাসার উপর মিলিত হয় এবং এই ভালবাসার উপরেই চিরবিচ্ছিন্ন (অর্থাৎ মৃত্যু) হয় ৫- সেই ব্যাক্তি যাকে কোন সুন্দরী নারী (অবৈধ যৌন-মিলনের উদ্দ্যেশ্যে) আহবান করে, কিন্তু সে বলে ‘আমি আল্লাহকে ভয় করি’ ৬- সেই ব্যাক্তি, যে গোপনে দান করে, এমনকি তাঁর ডান হাত যা প্রদান করে, তা তাঁর বাম হাত পর্যন্ত জানতে পারে না ৭- আর সেই ব্যাক্তি, যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, ফলে তাঁর উভয় চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে যায়/
[বুখারী ৬৬০, ১৪২৩, ৬৪৭৯, ৬৮০৬; মুসলিম ১০৩১; তিরমিযি ২৩৯১; নাসাঈ ৫৩৮০; আহমাদ ৯৩৭৩; মুওয়াত্তা মালিক ১৭৭৭ রিয়াদুস স্বালিহীন ৩৮১]
# ২য় শ্রেনী নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই -
২- সেই যুবক যার যৌবন আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত হয় .ইবদাহ হল আল্লাহর দাসত্যের নাম l প্রত্যেক ঐ কাজ যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা’আলার গোলামী আর দাসত্য হয় তাকে ইবদাহ বলে । সুতরাং সালাত ইবদাহ,সাওম ইবদাহ,যাকাত ইবদাহ, হাজ্জ ইবাদাহ,জিহাদ ইবাদাহ, কুরআন শিখা-শিখানো ইবাদাহ ইত্যাদি l
এখন যদি বলা হয় যে, যুবক যার যৌবন আল্লাহর কালাম মাজিদ শিখা-শিখানো পিছে অতিবাহিত হয়, সে কিয়ামাতের দিন আরশের ছায়া পাবে তাকি ভুল হবে ??
আর ইসলাম একটি পরিপুর্ন দীন l সুন্নাতে নবাবী সা এর অনুসরনই হল সকল ইবাদার মুল।আল্লাহর নবি সা সারা জীবন কুরাআন প্রতিস্ঠার সংগ্রাম করে গেছেন,তা যদি ইবাদাহ না হয় তাহলে আর কোন জিনিস ইবাদাহ হবে ??
আসলে ইহুদি-খৃস্টানরা অনেক বড় ষঢ়যন্ত্র চালাচ্ছে, যাতে করে মুসলিমগন তার প্রভুর ইবাদাহ থেকে বিমুখ থাকে,তাই ছলে-বলে সুকৌশলে মুসলিমদের ধোকা দিয়ে মুসলিমগনের অন্তর ও মস্তিস্কে ইবাদাহ এর নির্ধারিত পরিমন্ডলে সীমাবদ্ধের ভাইরাস ছড়াচ্ছে. এদিকে কিছু নামধারি মুসলিম গ্রুপ তাদের ফাদে পা দিয়ে ইবাদাহ কে নির্ধারিত পরিমন্ডলে সীমাবদ্ধ মনে করছে. যা বাস্তবিক অর্থে তাদের জীবন কেই সংকীর্নতায় ফেলে দিচ্ছে।
# এবার ফাজায়েলের কিতাবের উক্তির কথায় আসি -
>>‘’কিয়ামতের ভয়ঙ্কর দিনে যাহারা আরশের ছায়ার নীচে স্থান পাইবে, তাহাদের তালিকায় ‘শরহে এহয়া’ কিতাবে ঐ সকল লোকদেরকেও উল্লেখ করা হইয়াছে যাহারা মুসলমানদের ছেলেমেয়েদেরকে কুরআন শরীফ শিক্ষা দেয়। এমনিভাবে ঐ সকল লোককেও তালিকাভুক্ত করা হইয়াছে যাহারা বাল্যকালে কুরআন শরীফ শিক্ষা করে এবং বড় হইলে কুরআন তেলাওয়াতের এহতেমাম করে’’
ফাজায়েলে আমল; ফাজায়েলে কুরআন- যাকারিয়া সাহানপুরি; অনুবাদক- মুফতি মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ; নজরে ছানী ও সম্পাদনা- হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ যুবায়ের ছাহেব ও মাওলানা রবিউল হক ছাহেব; কাকরাইল মসজিদ; প্রকাশনা দারুল কিতাব, ৫০ বাংলাবাজার ঢাকা; প্রথম প্রকাশ- অক্টোবর ২০০১ ই; পৃষ্ঠা নঃ ১৪
কথাটির সমর্থনে হাদিসে এসেছে-أَدِّبوا أولادَكم على ثلاثِ خِصَالٍ حبِّ نبيكم وحبِّ أهل بيته وقراءةِ القرآن فإن حملة القرآن فى ظل الله يوم القيامة يوم لا ظل إلا ظله مع أنبيائه وأصفيائه (أبو نصر عبد الكريم بن محمد الشيرازى فى فوائده ، والديلمى ، وابن النجار فى تاريخه عن على رض
নবী সা ইরশাদ করেন তোমরা তোমাদের শিশুদের তিনটি অভ্যাস শিক্ষা দাও-১-নবী (সাঃ) এর ভালবাসা।২-তার পরিবারের ভালবাসা।৩-কুরআন তিলাওয়াত।আর মনে রেখ কুরআনের বাহক গন কিয়ামতের দিন,যে দিন কোন ছায়া হবে না সে দিন তারা আল্লাহর (আরশের) ছায়ায় থাকবে।[জামউল জাওয়ামে’আ ১/১২৬ হাদিস নং-৭৮২ প্রকাশনায়- দারুল কুতুব আল ইলমিয়াহ লেবানন]
জ্ঞাতব্য বিষয় হল--কুরআনের বাহক গনের গুরু দায়িত্ব হল কুরআন শিখা শিখানো।
# হাদিসের মান ও তাত্তিক বিশ্লষন—হাদিসটি যইফl
তবে মানুষকে আল্লাহ দীনের দিকে আহ্বান ও আখিরাতের ভয় প্রদর্শনের জন্য যঈফ হাদিসের উপর আমাল করা যায় যতক্ষণ পর্যন্ত মওজু না হয়।
দলিল--ইমাম নাবাবী রাহ. আল আযকারের ১২ পৃঃ বলেনقال العلماءُ من المحدّثين والفقهاء وغيرهم : يجوز ويُستحبّ العمل في الفضائل والترغيب والترهيب بالحديث الضعيف ما لم يكن موضوعاً
“”মুহাদ্দিসগন ও ফকিহ গন বলেন ফজিলত,তারগিব,তারহিব তথা মানুষকে আল্লাহ দীনের দিকে আহ্বান ও আখিরাতের ভয় প্রদর্শনের ক্ষেত্রে যঈফ হাদিস দ্বারা আমাল করা যায়.যতক্ষন পর্যন্ত মাওযু না হয়””.
ইমাম সাখাবি রাহ আল কাওলুল বাদি (তাহকিক- শাইখ মুহাম্মাদ আউওয়ামাহ) নামক কিতাবের খাতেমার ভিতর ৪৭২পৃঃ একই কথা বলেছেন. মোটকথা প্রায় সকল ইমামগনই ফজিলতের জন্য যঈফ হাদিসের উপর আমল করার কথা বলেছেন.
#এসব চাক্ষুস প্রমান দেয়া পর আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলুন সমস্যা ফাজায়েলের কিতাবে নয় ,সমস্যা আমাদের অন্তরে !
সংকলনে - Maulana Shahed Amin Al-hanafi
Comments
Post a Comment