অনেকের প্রশ্ন তাবলীগে কোরান হাদিস বাদ দিয়ে ফাজায়েলে আমাল নামের কিতাবের তালীম দেয়া হয় ,কাজেই এ তাবলীগ ঠিক না আসলে কি তাই ? [ পর্ব -৩ ]
তাহলে আসুন একটু পর্যালোচনা করে দেখি -
আগে বলুনতো সদ্য ভূমিষ্ট শিশুকে ভাত খাওয়ানো হয় নাকি দুধ-মধু ?
কেন ?
কেন ?
এই প্রশ্নের যেই জবাব এটার ও সেই জবাব তার পরও একটু খোলাসা করে বললে বুঝতে আরও সহজ হবে ৷এটা কোন প্রচলীত কোন মাদ্রাসা নয় যে কোরআন হাদীস তাফসীর গ্রন্থগুলো তালিম দেয়া হবে।
এখানে এমন কিছু কিতাব নির্ধারীত আছে যা দ্বারা স্বল্প সময়ের জন্য আসা মানুষগুলোর মাঝে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করার আকাঙ্খা সৃষ্টি হয়।
তাবলীগি ভাইদের কোরআন তাফছীর,হাদীস বা অন্য ইসলামী গ্রন্থ পড়তে নিষেধ নেই। তবে যে লোকটি এখনো অ, আ, ক, খ পড়তে শিখেনি। তাকে যদি একটি সাহিত্য গ্রন্থ দেয়া হয় তাহলে সেতো পড়তে পারবে না বরং তাকে দিতে হবে একটি আদর্শলিপি। যাতে সে পড়া শিখতে পারে।
তদ্রুপ তাবলীগ জামায়াতে যে সমস্ত ভাইয়েরা আসেন তারা যাতে দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের পড়া শিখতে পারে তার জন্য সে অনুযায়ী সহ উপায়ে ফাযায়েলে আমল, ফাযায়েলে সাদাকাত, মুন্তাখাব হাদীস, হায়াতুস সাহাবা ইত্যাদি গ্রন্থ পড়তে দেয়া হয়।
ফাযায়েল অর্থ হলো লাভ। মানুষ যে জিনিসে লাভ দেখে তা পাওয়ার জন্য জীবনও দিয়ে দেয় তাইনা । সে জন্য তাবলিগের ভাইদের দ্বীনের জ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এই ধরনের গ্রন্থ গুলো আগে পড়তে উৎসাহিত করা হয়।পরে যখন প্রাথমীক জ্ঞান অর্জনের পর যা মন চায় তাই পডতে পারবে ৷
তাছাডা সমালোচকদের উদ্দোশ্যে বলবো আপনারা এক বারের জন্য হলেও তালিমে বসে দেখুন পরিক্ষা মূলক ,যে লোকটির মুখ থেকে সূরায়ে ফাতেহাটি পর্যন্ত ঠিক ভাবে উচ্ছারণ করতে পারেনা তাকে যদি তাফসীর-হাদিসের বোঝা দিয়ে দেন তা কি বহন করা সম্ভব হবে ?
আপনি নিজেই এর সিন্দান্ত দিতে পারবেন ৷ তাছাডা ফাজায়েলে আমল কিতাবটিতো কোরান-হাদিসেরই একটি সংকলন মাত্র , সেখানে কি কোরান-হাদিস বহির্ভূত কোন কিছুর তালিম হয় ? হায় আফসোস !
৷
৷
তাছাডা ফাজায়েলে আমল কিতাবটিতো কোরান-হাদিসেরই একটি সংকলন বা নির্যাস মাত্র ,এই কিতাবে ১০১৫ পৃষ্ঠা (অনুবাদ) আছে, এই কিতাবে প্রায় ১৫৬৬টি হাদিস এবং ৩০৪টির মত কোরআনের আয়াত আছে সুতরাং এটা যে কোরআন হাদিসের কিতাব তাতে সন্দেহ কোথায়?
সেখানে কি কোরান-হাদিস বহির্ভূত কোন কিছুর তালিম হয় ?
Comments
Post a Comment