তাবলীগ ওয়ালারা যখন ফাজায়েলে আমাল থেকে মুসাল্লিদের হাদীসের দরছ দেন, তখন কোন সাথী ক্বোরান তেলাওয়াত করতে চাইলে তেলাওয়াত করতে দেওয়া হয় না, এমন কি একা একা পড়তে চাইলে ও না -



তাবলীগ বিরুধিদের অভিযোগ শুনলে-ই
বুঝা যায় তাবলীগ জামাতের প্রতি তারা কত টুকু হিংসা রাখে !
তাদের একটা অভিযোগ অনেক বার চোখে পড়েছে ,
তাবলীগ ওয়ালারা যখন ফাজায়েলে আমাল থেকে মুসাল্লিদের হাদীসের দরছ দেন, তখন কোন সাথী ক্বোরান তেলাওয়াত করতে চাইলে তেলাওয়াত করতে দেওয়া হয় না, এমন কি একা একা পড়তে চাইলে ও না !
আপনি একজন মাদ্রাসার শিক্ষক , আপনি হাদীসের দরছ দিচ্ছেন , এমতাবস্তায় কোন ছাত্র যদি ক্বোরান তেলাওয়াত করা শুরু করে ,এমন কি ক্লাশ ছেড়ে একা একা করতে চাইলে ও কি আপনি অনুমোদন দিবেন ?
না !
কেননা সুরাহ আ'রাফের ২০৪ নং আইয়াতে হুকুম রয়েছে , ওয়া ইযা ক্বুরিয়াল ক্বোর'আনু ফাস্তামিয়ু লাহু...!
যখন তুমাদের সামনে ক্বোরান পাঠ করা হয় তখন চুপ চাপ থেকে তা শ্রবন করো....!
একন বলেন তো একজন ছাত্রের তেলাওয়াতের কারণে কোন শিক্ষক পুরা ক্লাস বন্দ্ব করে দিবেন ? কিংবা কোন মাদ্রাসায় এমন নিয়ম আছে নাকি যে , যখন যে ছাত্রের ইচ্ছে হবে ক্লাস ছেড়ে অন্যত্রে গিয়ে ক্বোরান তেলাওয়াত করতে পারবে ?
ক্বোরান তেলাওয়াতের ও কিছু আদব/নিয়ম রয়েছে !
এসব প্রশ্ন কেবল তাদের হিংসার বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

Comments

Popular posts from this blog

তাবলীগ জামায়াতের ভায়েরা আল্লাহ'র কোরআন আর হাদিস গ্রন্থ থেকে কতুটুকু বয়ান করে ??

তাবলীগের এক চিল্লা তিন চিল্লা ইত্যাদী কি জরুরী?

ফাযায়েলে আমাল কিতাবে কী আছে?